This Blog is about the democratic movements in India. Its only aim and objective is to fight against the anti-people policies of the ruling class.
SAVE WEST BENGAL FROM TRINAMOOL CONGRESS
RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS
(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)
Wednesday, April 11, 2018
Slogans at the People's March to Save Democracy, from Mandi House to Jantar Mantar on 15 March 2016 on the national call by various student organisations. Thousands marched demanding the release of Umar and Anirban, end of witch-hunt of students and teachers of JNU, enactment of Rohith Act to stop caste discrimination in higher educational institutions, and the resignation of Smriti Irani for misusing power and peddling lies. Apart from those from the universities in Delhi, hundreds of students from Rajasthan, Himachal Pradesh and Haryana also joined the march.
রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের মনোনয়ন পত্র জমা দেবার নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেবার বিজ্ঞপ্তির ওপর স্থগিতাদেশ জারি করল হাইকোর্ট। এই স্থগিতাদেশ কার্যত নির্বাচন কমিশনারের স্বেচ্ছাচারী আচরণের বিরুদ্ধে আদালতের হস্তক্ষেপ। নির্বাচন কমিশনার সোমবার রাতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্দেশ দিয়েছিলেন হিংসা ও সন্ত্রাসের কারণে অনেকেই মনোনয়ন পত্র জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ, তাই মনোনয়ন পত্র জমা দেবার জন্য একটি দিন বাড়ানো হলো। মঙ্গলবার ছিল সেই দিন, যে দিন অতিরিক্ত একটি দিন মনোনয়নের জন্য ধার্য হয়েছিল। কিন্তু মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ নির্বাচন কমিশনার নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়ে দিলেন মনোনয়ন পত্র জমা দেবার জন্য সোমবারের জারি করা বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করা হলো। এদিন কোনও নতুন করে মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে না। এই প্রত্যাহারের কথা রাজ্যজুড়ে ডি এম, এস ডি ও-দের জানিয়ে দেওয়া হলো।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের মনোনয়ন পত্র জমা দেবার নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেবার বিজ্ঞপ্তির ওপর স্থগিতাদেশ জারি করল হাইকোর্ট। এই স্থগিতাদেশ কার্যত নির্বাচন কমিশনারের স্বেচ্ছাচারী আচরণের বিরুদ্ধে আদালতের হস্তক্ষেপ। নির্বাচন কমিশনার সোমবার রাতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্দেশ দিয়েছিলেন হিংসা ও সন্ত্রাসের কারণে অনেকেই মনোনয়ন পত্র জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ, তাই মনোনয়ন পত্র জমা দেবার জন্য একটি দিন বাড়ানো হলো। মঙ্গলবার ছিল সেই দিন, যে দিন অতিরিক্ত একটি দিন মনোনয়নের জন্য ধার্য হয়েছিল। কিন্তু মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ নির্বাচন কমিশনার নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়ে দিলেন মনোনয়ন পত্র জমা দেবার জন্য সোমবারের জারি করা বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করা হলো। এদিন কোনও নতুন করে মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে না। এই প্রত্যাহারের কথা রাজ্যজুড়ে ডি এম, এস ডি ও-দের জানিয়ে দেওয়া হলো।
পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে পরিস্থিতির যেরকম অবনতি হচ্ছে তাতে প্রয়োজনে বামফ্রন্ট ও সহযোগী রাজনৈতিক দলগুলি রাজ্যে সাধারণ ধর্মঘট ডাকার কথা বিবেচনা করছে। মঙ্গলবার বাম ও সহযোগী দলগুলির একটি সভার পরে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু সাংবাদিকদের বলেছেন, তৃণমূল রাজ্যে গণতন্ত্রকে হত্যা করার প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছে পুলিশ ও প্রশাসনের সহায়তায়। শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, বোধহয় সারা দেশে কোনও নির্বাচন ঘিরে এরকম পরিস্থিতি দেখা যায়নি। পরিস্থিতি যদি আরও ঘোরালো ও জটিল হয় তাহলে প্রয়োজনে আমাদের সাধারণ ধর্মঘটের দিকে যেতে হবে। পরিস্থিতি আমাদের সেদিকেই ঠেলে দিচ্ছে।
ক্ষণে ক্ষণে ঘটনাবলী নতুন নতুন মোড় নিচ্ছে রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে। ১২ঘণ্টার মধ্যে ডিগবাজি খেলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার অমরেন্দ্রকুমার সিং। সোমবার রাতে সাড়ে নটায় তিনি নোটিফিকেশন করে জানিয়ে দিয়েছিলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা একদিন বাড়ানো হলো, মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে তিনিই ফের আরেকটি নোটিফিকেশন জারি করে জানিয়ে দিলেন আগের নির্দেশ বাতিল, মনোনয়ন আর জমা নেওয়া হবে না। এরপর বিকালের আগেই কলকাতা হাইকোর্ট আবার স্থগিতাদেশ জারি করে দিয়েছে সর্বশেষ এই বাতিলের নির্দেশিকার ওপরে। নির্বাচন কমিশনারের এই ডিগবাজির কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা যাচ্ছে রাজ্য সরকার এবং শাসকদল ফের পুরানো ঘৃণ্য কৌশলই ব্যবহার করেছে। আড়াই বছর আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায়ের অফিসে তাঁকে ঘিরে রেখে রাজ্যের মন্ত্রীরা এমন চাপ সৃষ্টি করেছিলেন যে সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায় ‘মানসিক যন্ত্রণা’-র কথা জানিয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। জানা গেছে, মঙ্গলবার সাতসকালে বর্তমান নির্বাচন কমিশনার অমরেন্দ্রকুমার সিং ঘুম থেকে উঠে দেখেন তাঁর বাড়িতে হাজির হয়েছেন রাজ্যের চার মন্ত্রী। তাঁরা কীভাবে চাপ সৃষ্টি করেছিলেন তা নির্বাচন কমিশনার নিজ মুখে বলেননি ঠিকই, কিন্তু এর পরেই সকাল নটায় তিনি কমিশন অফিসে চলে আসেন। তার আধঘণ্টার মধ্যে জেলাশাসক এবং পুলিশসুপারদের কাছে তাঁর নতুন নির্দেশিকা পৌঁছে যায়। যাতে বলা হয়েছে, আগের রাতের নির্দেশিকা বাতিল। রাজ্য সরকার ও শাসকদলের দাবি মেনেই তিনি যে সময়সীমা বাড়ানোর নির্দেশ বাতিল করছেন তা স্পষ্ট ভাষায় নতুন নির্দেশিকাতেও উল্লেখ করে দিয়েছেন অমরেন্দ্রকুমার সিং। তৃণমূলনেতা কল্যাণ ব্যানার্জি এবং রাজ্য সরকারের একজন বিশেষ সচিবের আপত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে এদিনের নির্দেশিকায়। অর্থাৎ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বা স্ববিবেচনায় সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাতিল নির্বাচন কমিশন করেনি।
অনেক কিছুর মতো, বেশিরভাগ কমিশনের বারোটা বাজানোর কাজে মমতা ব্যানার্জির নাকি জুড়ি নেই! ‘দিদিনিষ্ঠ’ অনেক তৃণমূল কংগ্রেস নেতারও এমনই দাবি। প্রমাণ? সারদা কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত ড. শ্যামল সেন কমিশন। রাজ্যের মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন। শিক্ষক, কর্মচারীদের চাকরির স্কুল সার্ভিস কমিশন। কর্মচারীদের বেতন বিষয়ক রাজ্য পে-কমিশন। এবং অবশ্যই কোটি কোটি মানুষের ভোটাধিকার সংক্রান্ত রাজ্য নির্বাচন কমিশন।
নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা, ১০ই এপ্রিল—মঙ্গলবারও বিক্ষোভ দেখানো হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন দপ্তরের সামনে। সুষ্ঠুভাবে মনোনয়নপত্র জমা এবং গণতান্ত্রিকভাবে রাজ্যে নির্বাচন করার দাবি জানাতে গিয়ে এদিন গ্রেপ্তার হলেন বামপন্থী মহিলা সংগঠনের নেত্রী ও কর্মীরা। এদিন একইভাবে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের সামনে গ্রেপ্তার হলেন হাওড়া জেলার বামফ্রন্টের নেতা কর্মীরা। নির্বাচন কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে যাওয়ার ‘অপরাধে’ এদিন গ্রেপ্তার করা হয় সবাইকে। অথচ তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আগাম অনুমতিও ছিল। সব মিলিয়ে ৯৯ জনকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ। এঁদের মধ্যে মহিলা সংগঠনের নেত্রী কর্মীরা হলেন ২৯জন। বাকিরা হাওড়া জেলা বামফ্রন্টের নেতা কর্মী। পুলিশের এই আচরণের প্রতিবাদে ১২ই এপ্রিল ধিক্কার দিবস পালন করবেন মহিলারা।
নিজস্ব সংবাদদাতা: বাঁকুড়া, ১০ই এপ্রিল— সোমবার দুপুরে শালতোড়া থানার সালমা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাকুলিয়ায় বেআইনি কয়লা খাদান ধসে ৫জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে মৃতদের নাম সুধন বাউরি, মানা বাউরি, কার্তিক বাউরি ও জগু বাউরি। এদের প্রত্যেকেরই বয়স ৩০-৩২এর মধ্যে। মৃত চারজনেরই বাড়ি স্থানীয় সিংজুড়ি গ্রামে। অপর মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনায় আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার পুলিশসুপার সুখেন্দু হীরার কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান ঘটনাটিই বেমালুম অস্বীকার করে বলেন, এধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি।
Subscribe to:
Posts (Atom)