This Blog is about the democratic movements in India. Its only aim and objective is to fight against the anti-people policies of the ruling class.
SAVE WEST BENGAL FROM TRINAMOOL CONGRESS
RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS
(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)
Showing posts with label NARADA STING OPERATION. Show all posts
Showing posts with label NARADA STING OPERATION. Show all posts
Wednesday, May 3, 2017
FIRHAD HAKIM - নারদ বা সারদাই হোক বা মধ্যমগ্রামে কিশোরীর উপর ধর্ষণ হত্যাই হোক বা পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণ হোক বা বর্ধমানের প্রাক্তন বিধায়ক প্রদীপ তা বা গণনাট্য সঙ্ঘের কমল গায়েন হত্যা, সবেতেই রাজ্য সরকার নিরপেক্ষ স্বচ্ছ তদন্তের বিরুদ্ধাচরণ করছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কুৎসা করতে পিছপা হচ্ছেন না। মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, আমলারা যদি উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হন তাহলে প্রত্যন্ত গ্রামের শরৎবাবুর অভাগী বা তাঁর স্বামী রসিক বাগ বা তাঁর ছেলে কাঙ্গালী কোন্ ভরসায় এই সংসদীয় গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করবেন।
MADAN MITRA - নারদ বা সারদাই হোক বা মধ্যমগ্রামে কিশোরীর উপর ধর্ষণ হত্যাই হোক বা পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণ হোক বা বর্ধমানের প্রাক্তন বিধায়ক প্রদীপ তা বা গণনাট্য সঙ্ঘের কমল গায়েন হত্যা, সবেতেই রাজ্য সরকার নিরপেক্ষ স্বচ্ছ তদন্তের বিরুদ্ধাচরণ করছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কুৎসা করতে পিছপা হচ্ছেন না। মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, আমলারা যদি উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হন তাহলে প্রত্যন্ত গ্রামের শরৎবাবুর অভাগী বা তাঁর স্বামী রসিক বাগ বা তাঁর ছেলে কাঙ্গালী কোন্ ভরসায় এই সংসদীয় গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করবেন।
MATHEW SAMUEL - মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক ও আমলাদের দুর্নীতি এক সামাজিক ব্যাধি যা সাধারণ মানুষের সরকারের প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতায় অনীহা প্রকাশ করে। সমাজকে প্রতিবন্ধী করে দেয়। তবুও সরকার সরকারের কোটি কোটি টাকা খরচ করে দুর্নীতিগ্রস্তদের হয়ে আদালতে নিরপেক্ষ তদন্তের বিরুদ্ধে সওয়াল করে। আশ্চর্যের বিষয় সরকার ভিডিও ফুটেজে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অর্থ নেওয়ার ঘটনায় তদন্ত করায় না কিন্তু একজন অভিযুক্তের স্ত্রীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে বিদ্যুৎগতিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে ম্যাথু স্যামুয়েলের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে যিনি নারদ নিউজের হয়ে মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, আমলাদের ঘুষ নেওয়ার স্টিং অপারেশনটি করেন।
NARADA STING OPERATION - ক্যালকাটা হাইকোর্টের নির্দেশে চণ্ডীগড়ের কেন্দ্রীয় ফরেনসিক ল্যাবরেটরি ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে যে মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, আমলার টাকা নেওয়ার ভিডিও ফুটেজ সঠিক। তবুও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে হচ্ছে এটা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। যে মুখ্যমন্ত্রী বঙ্গারু দত্তাত্রেয়র ঘটনায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন। যে মুখ্যমন্ত্রী জর্জ ফার্নানডেজের কফিন কেলেঙ্কারির ঘটনায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা থেকে সরে আসেন, সেই মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনায় একবারও বললেন না উক্ত অভিযুক্তদের মন্ত্রী, সাংসদ বা বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করতে। পরন্তু অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের কোন খবর মানুষের কাছে নেই। ২০১২ সালে মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ৭৫তম বর্ষ পূর্তি উৎসবে বক্তৃতায় বলেন ‘‘কেন আজকে টাকার বিনিময়ে কোর্টে বিচার হবে?’’ তিনি আরো বলেন, “corruption has made inroads into the Judiciary and Democracy as a whole. It is unfortunate we have own freedom but not economic freedom.” অর্থাৎ দুর্নীতি বিচার ব্যবস্থায় এবং গণতন্ত্রে সম্পূর্ণভাবে হানা দিয়েছে, এটা দুর্ভাগ্যজনক।
NARADA STING OPERATION - আশ্চর্যের বিষয় রাজ্য সরকার ক্যালকাটা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে এবং সুপ্রিম কোর্টে নিঃস্বার্থ ক্ষমা প্রার্থনা করে মামলা প্রত্যাহার করে। আইন প্রণয়নকারী এবং আইনের রক্ষকদের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ যেখানে মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, আমলা যুক্ত যারা কিনা আইন প্রণয়নকারী ও আইনের রক্ষক, তাঁদেরই বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ। আশ্চর্যের বিষয় অ্যাডভোকেট জেনারেল কেন্দ্রীয় সংস্থার দ্বারা তদন্তের বিরোধিতা করেন এবং অভিযুক্তদের আইনজীবীদের সুরে সুর মিলিয়ে বলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার দ্বারা তদন্তের কোন প্রয়োজন নেই। শুধু তাই নয়, রাজ্য সরকার ক্যালকাটা হাইকোর্টে উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে সরকারি অর্থ ব্যয় করে। উল্লেখ্য, সারদা মামলার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সি বি আই) দ্বারা তদন্ত আটকানোর জন্যে শোনা যায় রাজ্য সরকার সরকারি কোষাগার থেকে ১১ কোটি টাকা ব্যয় করে ভারতবর্ষের প্রথিতযশা আইনজীবীদের নিযুক্ত করেন।
NARADA STING OPERATION - ১৪ই মার্চ, ২০১৬ পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা ভারতবাসী বিস্মিত টেলিভিশনের পর্দায় মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক ও পুলিশ আধিকারিক (আই পি এস অফিসার) লক্ষ লক্ষ টাকা নিচ্ছেন একটি ভুয়ো কোম্পানির প্রতিনিধির কাছ থেকে এই প্রতিশ্রুতিতে যে তারা সহযোগিতা করবে উক্ত কোম্পানির ব্যবসার উন্নতিতে তাদের যে ক্ষমতা রয়েছে তাকে ব্যবহার করে। এই ঘটনা সত্য কি মিথ্যা তা জানার জন্য ক্যালকাটা হাইকোর্টে অমিতাভ চক্রবর্তী ও আরো দুজন জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন এই আবেদন করে যে একটি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সি বি আই) দিয়ে মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, আমলাদের টাকা নেওয়ার যা সম্প্রচারিত হয়েছে তার সত্যতা যাচাইয়ের জন্যে। ১৮ই মার্চ, ২০১৬ এই দায়ের করা মামলার শুনানি শুরু হয় এবং ১৭ই মার্চ, ২০১৭ ক্যালকাটা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিশীথা মাত্রে ও বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর বেঞ্চ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে প্রাথমিক তদন্তের নির্দেশ দান করেন এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তা শেষ করার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট প্রাথমিক তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করে এক মাস করে।
“It is very difficult to believe that a fair and impartial enquiry or investigation will be conducted by the State Police against their masters in Government or their own high-ranked Officer.” অর্থাৎ এটা বিশ্বাস করা কঠিন যে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত বা অনুসন্ধান রাজ্য পুলিশের দ্বারা পরিচালিত হবে তাদের সরকারি পরিচালক বা তাঁদেরই ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। উপরোক্ত পর্যবেক্ষণ ক্যালকাটা হাইকোর্টের মাননীয়া প্রধান বিচারপতি নিশীথা মাত্রে ও মাননীয় বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর। পর্যবেক্ষণটি নারদ স্টিং অপারেশন মামলায়।
Thursday, March 23, 2017
"We have doubts about an effective probe into the Narada scam by the CBI. In the past ten months, the parliament ethics committee did not hold a single meeting even though a number of Trinamool Congress MPs were seen accepting money in front of camera during the sting operation. Such happenings clearly indicate that there has been a secret understanding between Narendra Modi and Mamata Banerjee's governments." -Surya Kanta Mishra, Secretary, CPI (M), West Bengal State Committee
Wednesday, March 22, 2017
Tuesday, March 21, 2017
NARADA STING OPERATION: কলকাতা, ২১শে মার্চ - নারদা কাণ্ডে গত শুক্রবারই সি বি আই’কে প্রাথমিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সেই রায়ের বিরোধীতায় সরকারী কোষাগারের টাকা খরচ করেই সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা করেছিল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই সুপ্রিম কোর্টে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয় রাজ্যকে।
NARADA STING OPERATION CASE AT THE HON'BLE SUPREME COURT OF INDIA: নারদ মামলায় সিবিআই তদন্ত বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনার মুখে পড়ে। রাজ্য সরকারকে ভর্ত্সনা করে আদালত বলে,‘সরকার কীভাবে বলতে পারে রায়ে পক্ষপাতিত্ব হয়েছে? ক্ষমা চেয়ে নিঃশর্তভাবে মামলা প্রত্যাহার করুন।’ বিচারপতির নির্দেশের পর মামলা প্রত্যাহারের আর্জি জানান রাজ্যের আইনজীবী।
স্যামুয়েল সিবিআই এবং সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্টই জানিয়েছেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে স্টিং অপারেশন করার জন্য তাঁকে টাকা দিয়েছিল কে ডি-র সংস্থা ‘অ্যালকেমিস্ট’। ম্যাথু এ দিন দাবি করেন, ‘‘অচেনা শহরে আমার কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল না। নিজের কাছে প্রচুর নগদ রাখাও সম্ভব ছিল না। ভোটের সময়ে অত টাকা সঙ্গে রাখলে পুলিশ প্রশ্ন তুলতে পারতো। তাই সল্টলেকের ওই অফিস থেকে টাকা নিতাম। কোন নেতা কত টাকা নেবেন, তা বোঝার পরে ওই অফিস থেকে টাকা তুলে আনতাম।’’
Sunday, March 19, 2017
Subscribe to:
Posts (Atom)















































